অবশেষে ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো।২৪ এর আওয়ামীলীগ সরকারের বিদায়ের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্যে প্রয়োজন ছিলো একটা নির্বাচন, যা গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম উপাদান।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অন্তর্বতীকালিন সরকার থেকে শুরু করে দেশের সব ছোট বড় রাজনৈতিক দলের চেষ্টা কৌশল দেখেছে দেশের জনগন। নির্বাচনের হাওয়া লেগেছিলো দেশের প্রতিটা সংসদীয় আসনে। হয়েছে অনেক দেশি বিদেশী আলোচনা, কুটকৌশল।
কিন্তু দেশের সাধারন জনতা অপেক্ষা করছিলো সুনির্দিষ্ট সময়ের এবং নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের।
অবশেষে ফেব্রুয়ারী ( বৃহস্পতিবার) সেই মহেন্দ্রক্ষন আসে এবং দেশের মানুষ নিজেদের ভোট অধিকার প্রয়োগ করে(একটা সংখ্যক ভোটার নিজের দল নির্বাচনে নেই দেখে ভোট কেন্দ্রে যায়নি)।বাকি যায়নি মৌলভীবাজারের গনতন্ত্রকামী জনতা, তারা গনতান্ত্রিক সরকার গঠন করতে মাৌলভীবাজারের সকল সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করেন।
মৌলভীবাজার জেলায় সংসদীয় আসন মোট ৪টি।
যার মধ্যে বাংলাদেশের চলমান রাজনীতিতে আলোচিত দুই দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীগন অংশগ্রহণ করেন।
নির্বাচন চলাকালীন সকল রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে জেলায় নিয়োজিত সকল নির্বাচনী কর্মকর্তা সহ আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাহিনীর বক্তব্য ছিলো এই নির্বাচন অবাক সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হচ্ছে।
ভোট গননা শেষে মৌলভীবাজার সংসদীয় আসনের ৪টি আসনেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীর বেসরকারি বিজয়ের ফলাফল প্রকাশ হয়।যা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জন্য সুখের সংবাদ নয়।
কারন জেলার নির্বাচন বিশ্লেষক,বাজনৈতিক বিশ্লেষক সহ সাধারণত জনতার একাংশের মধ্যকার একটি উৎকণ্ঠার বিষয় জন্মেছে।যেহেতু একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের বাড়ি যেই জেলাতে সেই জেলায় ৪টির মধ্যে ১টি আসন ও জয় করতে পারলোনা জামায়াতে ইসলামী।
তাইতো সাক্ষাৎকারে জনৈক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বললেন,“এটা জামায়াতে ইসলামীর ভরাডুবি,সুখের সংবাদ নয়।








